সামগ্রিকে যান
প্রবেশ

ক্রিকেট ভক্তের জন্য ২০২৬ সালের ছুটির ক্যালেন্ডার গাইড

২০২৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ছুটি মোট ১১টি, আর এর মধ্যে আটটি শুক্র বা সোমবারে পড়ায় তিনদিনের লম্বা সপ্তাহান্ত তৈরি হয়। ক্রিকেট গাইড বাংলাভাষী ক্রিকেট ভক্তদের জন্য এই ক্যালেন্ডার সাজিয়েছে...

৫ অক্টোবর, ২০২৬ 5 min read
ক্রিকেট ভক্তের জন্য ২০২৬ সালের ছুটির ক্যালেন্ডার গাইড
❦

ক্রিকেট ভক্তের জন্য ২০২৬ সালের ছুটির ক্যালেন্ডার গাইড

২০২৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ছুটি মোট ১১টি, আর এর মধ্যে আটটি শুক্র বা সোমবারে পড়ায় তিনদিনের লম্বা সপ্তাহান্ত তৈরি হয়। ক্রিকেট গাইড বাংলাভাষী ক্রিকেট ভক্তদের জন্য এই ক্যালেন্ডার সাজিয়েছে, যাতে ম্যাচের সময় আর ছুটির দিন মিলিয়ে কোনো খেলা মিস না হয়। বছর শুরু ১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার নববর্ষ দিয়ে, শেষ ২৫ ডিসেম্বর শুক্রবার বড়দিনে। সোমবারের পাঁচটি ছুটি পড়েছে ১৯ জানুয়ারি, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২৫ মে, ৭ সেপ্টেম্বর ও ১২ অক্টোবর। ৪ জুলাই শনিবার হওয়ায় ছুটি সরে গেছে ৩ জুলাই শুক্রবারে। অনেক তালিকায় ১৯ জুন শুক্রবারের জুনটিন্থ বাদ পড়ে, অথচ সেটিও ফেডারেল ছুটি। থ্যাংকসগিভিংয়ের ২৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবারে একটি ছুটি নিলেই চারদিনের বিরতি মেলে। ক্রিকেট ভক্তদের জন্য ডিসেম্বর-জানুয়ারির ছুটির মরসুম আর বিপিএল প্রায় একই সময়ে পড়ে, তাই আগে থেকে হিসাব কষে রাখাই ভালো। তারিখ নিশ্চিত করতে ইউএস অফিস অব পারসোনেল ম্যানেজমেন্টের সরকারি তালিকা মিলিয়ে নিন, তারপর নিজের ম্যাচ-দেখার সূচি ও বাজেট আগেভাগে লিখে রাখুন।

a family gathered around a living-room television watching a cricket match on a quiet holiday morning, tea cups on the table

আমি জানি, ছুটির তালিকা নিয়ে একটি পুরো লেখা পড়তে বসাটা সবার কাছে আনন্দের নয় (মাফ করবেন, হিসাবের মানুষ তো, তালিকা না দেখলে স্বস্তি পাই না)। তবু বিশ্বাস করুন, বছরের শুরুতে ১১টি তারিখ খাতায় তুলে রাখলে সারা বছর ছুটি, খেলা আর খরচের হিসাব অনেক সহজ হয়ে যায়। ক্রিকেট গাইড-এ আমরা প্রতিদিন ম্যাচ পর্যালোচনা আর খেলোয়াড় পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করি, আর পাঠকদের একটা কথা বারবার শুনি: "ভাই, ম্যাচটা ছিল কাজের দিনে, দেখতে পারিনি।" এই লেখা সেই আক্ষেপ কমানোর চেষ্টা। প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ছুটির ক্যালেন্ডার আলাদা করে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ওই দিনগুলোতেই তাঁরা ঘড়ি ধরে ম্যাচ দেখার সুযোগ পান।

আরও জানুন

দ্রুত তুলনা: ২০২৬-এর ১১টি ফেডারেল ছুটি এক টেবিলে

প্রথমে পুরো ছবিটা দেখে নিই, তারপর রাউন্ড ধরে ধরে আলোচনা করব। নিচের তালিকা সাজানো হয়েছে মার্কিন ফেডারেল ছুটির নিয়ম অনুযায়ী। এখানে একটা ছোট কিন্তু দরকারি তথ্য আছে, যা অনেক ওয়েবসাইট এড়িয়ে যায়: ছুটির সংখ্যা ১১, অথচ কিছু জনপ্রিয় তালিকায় আছে মাত্র ১০টি আলাদা ছুটি আর একটি "পালিত" তারিখ, যেখানে জুনটিন্থ নেই। Wikipedia-র ২০২৬ পাতা বছরটির বড় ঘটনার সারাংশ দেয়, আর ছুটির আনুষ্ঠানিক তালিকার জন্য ইউএস অফিস অব পারসোনেল ম্যানেজমেন্ট সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস।

ছুটি তারিখ বার লম্বা সপ্তাহান্ত?
নববর্ষ ১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার শুক্রবার নিলে চারদিন
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র দিবস ১৯ জানুয়ারি সোমবার হ্যাঁ, তিনদিন
প্রেসিডেন্টস ডে ১৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার হ্যাঁ, তিনদিন
মেমোরিয়াল ডে ২৫ মে সোমবার হ্যাঁ, তিনদিন
জুনটিন্থ ১৯ জুন শুক্রবার হ্যাঁ, তিনদিন
স্বাধীনতা দিবস (পালিত) ৩ জুলাই (আসল ৪ জুলাই, শনিবার) শুক্রবার হ্যাঁ, তিনদিন
লেবার ডে ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার হ্যাঁ, তিনদিন
কলম্বাস ডে ১২ অক্টোবর সোমবার হ্যাঁ, তিনদিন
ভেটেরান্স ডে ১১ নভেম্বর বুধবার না, সপ্তাহের মাঝখানে
থ্যাংকসগিভিং ২৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার শুক্রবার নিলে চারদিন
বড়দিন ২৫ ডিসেম্বর শুক্রবার হ্যাঁ, তিনদিন

টেবিলটা ভালো করে দেখলে একটা অদ্ভুত ফাঁক চোখে পড়ে, যা আমার কাছে (বিনীতভাবে বলছি) দারুণ আকর্ষণীয় লেগেছে। ২৫ মে মেমোরিয়াল ডে থেকে ৭ সেপ্টেম্বর লেবার ডে পর্যন্ত টানা ১০৫ দিনে কোনো সোমবারের ছুটি নেই। এই লম্বা খরার মাঝখানে ছুটির কাজটুকু সারে ১৯ জুনের শুক্রবার আর ৩ জুলাইয়ের শুক্রবার। অর্থাৎ গ্রীষ্মে যাঁরা ছুটির হিসাব রাখেন, তাঁদের জন্য জুনটিন্থ বাদ পড়া তালিকা সরাসরি ভুল সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দেয়। ঠিক যেমন ব্যাটিং গড় দেখতে গিয়ে একটা ইনিংস বাদ দিলে পুরো পরিসংখ্যান বদলে যায়।

[Internal Link: ম্যাচ পর্যালোচনা ও খেলোয়াড় পরিসংখ্যান দেখার সহজ নিয়ম]

a wall calendar for 2026 with Monday holiday dates circled in red and a pen resting beside it on a wooden desk

আরও জানুন

রাউন্ড ১: কোন ছুটিতে সবচেয়ে লম্বা সপ্তাহান্ত মেলে?

সবচেয়ে লম্বা বিরতি মেলে ২৬ নভেম্বরের থ্যাংকসগিভিংয়ে, কারণ বৃহস্পতিবারের ছুটির সঙ্গে শুক্রবার একদিন ছুটি নিলেই টানা চারদিন হয়। জানুয়ারির ১ তারিখও বৃহস্পতিবার, তাই সেখানেও একই কৌশল খাটে। ছুটি বাঁচাতে চাইলে এই দুটিই সেরা বাজি।

এখন একটু কঠিন কথা, সোজাসুজি বলি (আশা করি কিছু মনে করবেন না)। থ্যাংকসগিভিংয়ের পরের শুক্রবার ফেডারেল ছুটি নয়। অনেক কর্মস্থল ওই দিন বন্ধ রাখে, অনেকে রাখে না, আর এই তফাতটাই অনেককে বিপদে ফেলে। তাই চারদিনের পরিকল্পনা করার আগে নিয়োগকর্তার ক্যালেন্ডার দেখে নেওয়া জরুরি। বিনা ছুটিতে নিশ্চিত তিনদিনের সপ্তাহান্ত পাওয়া যায় এই আটটি দিনে:

  1. ১৯ জানুয়ারি, সোমবার (মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র দিবস)
  2. ১৬ ফেব্রুয়ারি, সোমবার (প্রেসিডেন্টস ডে)
  3. ২৫ মে, সোমবার (মেমোরিয়াল ডে)
  4. ১৯ জুন, শুক্রবার (জুনটিন্থ)
  5. ৩ জুলাই, শুক্রবার (স্বাধীনতা দিবসের পালিত ছুটি)
  6. ৭ সেপ্টেম্বর, সোমবার (লেবার ডে)
  7. ১২ অক্টোবর, সোমবার (কলম্বাস ডে)
  8. ২৫ ডিসেম্বর, শুক্রবার (বড়দিন)

একজন হিসাবি দর্শক হিসেবে আমার নিজের খাতায় প্রতিটি লম্বা সপ্তাহান্তের পাশে লেখা থাকে কতগুলো ম্যাচ লাইভ দেখা সম্ভব। বছরে আটটি তিনদিনের বিরতি মানে ২৪টি দিন, যার মধ্যে বেশির ভাগই কাজের দিনের ভিড় ছাড়া পুরোপুরি আপনার। ক্রিকেট গাইড-এর পাঠকদের কাছ থেকে আমরা শুনেছি, এই দিনগুলোতেই তাঁরা সিরিজের পুরো ম্যাচ একটানা দেখেন, আর পরে আমাদের ম্যাচ পর্যালোচনায় এসে নিজের ধারণা মিলিয়ে নেন।

রাউন্ড ২: শনিবারে পড়া ছুটি কি সত্যিই ছুটি?

হ্যাঁ, তবে সরে গিয়ে। ফেডারেল কর্মীদের জন্য শনিবারের ছুটি আগের শুক্রবারে সরে আসে, তাই ২০২৬-এ ৪ জুলাই শনিবার হলেও সরকারি ছুটি ৩ জুলাই শুক্রবার। বেসরকারি অফিস কী করবে তা নিয়োগকর্তার নীতির ওপর নির্ভর করে, তাই নিজের কর্মস্থলের ক্যালেন্ডার একবার মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।

এই নিয়মের একটা সূক্ষ্ম দিক আছে যা সাধারণ তালিকায় ধরা পড়ে না। রবিবারে পড়া ছুটি সরে যায় পরের সোমবারে, আর শনিবারে পড়লে সরে যায় আগের শুক্রবারে। ২০২৬-এ তাই ২৫ ডিসেম্বর আর ১ জানুয়ারি আসল দিনেই আছে, কিন্তু ৪ জুলাই নিজের জায়গায় নেই। কেউ যদি ৪ জুলাই শনিবার সকালে অফিস খোলা পেয়ে অবাক হন, বুঝতে হবে সেটা তাঁর প্রতিষ্ঠানের আলাদা নিয়ম (অনেক খুচরা দোকান আর হাসপাতাল এভাবেই চলে)। আর ব্যাংক বা ডাকঘরের মতো সেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন সূচি প্রযোজ্য হতে পারে, তাই সবচেয়ে নিরাপদ হলো আগের দিন একবার ফোন করে বা ওয়েবসাইটে দেখে নেওয়া।

আরেকটা পর্যবেক্ষণ: ২০২৬-এর বছরটা বেশ "শুক্রবারপ্রধান"। জুনটিন্থ, স্বাধীনতা দিবসের পালিত ছুটি আর বড়দিন, তিনটিই শুক্রবারে। ক্রিকেটের ভাষায় বললে, এটা যেন টানা তিনটি ভালো ওভার পাওয়ার মতো সুযোগ, যেখানে সপ্তাহের শেষটা আগেভাগে শুরু হয়ে যায়। [Internal Link: ব্যাটিং ও বোলিং কৌশলের ধারাবাহিক গাইড]

আরও জানুন

রাউন্ড ৩: ছুটির দিনে ক্রিকেট দেখার সময় কীভাবে মেলাবেন?

বাংলাদেশ ইউটিসি+৬ আর যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূল গ্রীষ্মে ইউটিসি−৪, শীতে ইউটিসি−৫; অর্থাৎ ঢাকার সময় থেকে ১০ বা ১১ ঘণ্টা বিয়োগ করুন। ২০২৬-এ ঘড়ি ১ নভেম্বর পাল্টায়, তাই ওই তারিখের পর ম্যাচের সময় এক ঘণ্টা সরে যায়। ছুটির সকালে কোন ম্যাচ লাইভ ধরা যাবে, সেটা এই এক বিয়োগেই বেরিয়ে আসে।

ধরুন ঢাকায় বিকেল ২টা ৩০ মিনিটে একটি ম্যাচ শুরু হচ্ছে। গ্রীষ্মে নিউইয়র্ক বা ওয়াশিংটনে তখন ভোর ৪টা ৩০ মিনিট, আর ১ নভেম্বরের পর ভোর ৩টা ৩০ মিনিট। রাত ৭টার একটি ম্যাচ ঢাকায় সন্ধ্যায়, কিন্তু পূর্ব উপকূলে সকাল ৯টা বা ৮টা। এখানেই ছুটির ক্যালেন্ডারের আসল কাজ: সকালের ম্যাচ দেখতে চাইলে সোমবারের ছুটি আদর্শ, আর ভোররাতের ম্যাচের জন্য বৃহস্পতিবারের ছুটির আগের রাতটাই কাজে লাগে, কারণ পরদিন অফিসের চাপ কম। আইসিসির আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সূচি, যেমন গ্রীষ্মে ইংল্যান্ডে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, আইসিসির ওয়েবসাইটে দেখে নিন, কারণ সময়সূচি বদলাতে পারে (আমি যা জানি তা সীমিত, তাই নিশ্চিত হয়ে নেওয়াই ভালো)।

a smartphone showing a live cricket scoreboard placed beside a world clock displaying Dhaka and New York times

একটা সহজ ছক বানিয়ে নিন, আমি নিজে যেভাবে করি:

  • প্রথম কলামে ছুটির তারিখ, দ্বিতীয় কলামে ওই সপ্তাহের ম্যাচের ঢাকার সময়
  • তৃতীয় কলামে নিজের শহরের সময় (১ নভেম্বরের আগে ও পরে আলাদা)
  • চতুর্থ কলামে সময়ের সীমা: কত ঘণ্টা দেখবেন, কত ব্যয় করবেন

শেষ কলামটা কেউ কেউ হেসে উড়িয়ে দেন, কিন্তু বিনিয়োগকারীর মানসিকতায় আমি বলব, সময় আর অর্থ দুটোরই একটা সীমা ঠিক করে রাখা ভালো। বাজি ধরা আইনসম্মত কি না, তা আপনার দেশ ও অঞ্চলের আইন দেখে জেনে নিন, বয়স অবশ্যই ১৮ বা স্থানীয় আইনের নির্ধারিত বয়সের বেশি হতে হবে, আর কখনো এমন টাকা ধরবেন না যা হারালে সংসারে টান পড়ে। খেলা দেখার আনন্দটাই আসল, বাকিটা বাড়তি।

আরও জানুন

চূড়ান্ত স্কোর: কে কোন ছুটি বেছে নেবেন?

সংক্ষেপে বললে, পাঠকভেদে সেরা ছুটি আলাদা: যাঁরা ছুটি বাঁচাতে চান তাঁরা থ্যাংকসগিভিং ও জানুয়ারির ১ তারিখ বেছে নিন; যাঁরা বিনা ঝামেলায় তিনদিন চান তাঁরা সোমবারের পাঁচটি ছুটি আর ১৯ জুন ধরুন; আর দেখার পরিকল্পনা যাঁদের মুখ্য, তাঁরা ১ নভেম্বরের আগে-পরের ম্যাচের সময় আলাদা করে লিখে রাখুন।

তিন রাউন্ডের ফল মোটামুটি এই: রাউন্ড ১-এ জিতেছে থ্যাংকসগিভিং, কারণ একদিন ছুটিতে চারদিন। রাউন্ড ২-এ জিতেছে ৩ জুলাইয়ের পালিত ছুটি, কারণ এটি ১০৫ দিনের খরার মাঝে সবচেয়ে কাজের বিরতি, যদি আপনার কর্মস্থল ফেডারেল নিয়ম মানে। রাউন্ড ৩-এ কোনো একক বিজয়ী নেই, সময়ের হিসাব যিনি আগে করেন তিনিই জেতেন। আমার ব্যক্তিগত বিনীত পরামর্শ: খাতায় তিনটি তারিখ বড় করে লিখে রাখুন, ১৯ জুন, ২৬ নভেম্বর আর ২৫ ডিসেম্বর। তাহলে বছরের মাঝের ফাঁক, শেষের ভিড় আর উৎসবের সময়, তিনটিই সামলানো যাবে। ক্রিকেট গাইড-এ আমরা প্রতিটি বড় সিরিজের আগে এই ধরনের হিসাব নিয়ে লিখি, কারণ ম্যাচ আর ছুটি মেলাতে পারলেই দেখা সম্পূর্ণ হয়। [Internal Link: বিপিএল মৌসুমের পূর্ণাঙ্গ কভারেজ]

a floodlit cricket stadium at dusk with empty stands and a groundsman rolling the pitch before a day-night match

আরও জানুন

Frequently Asked Questions

Q: মার্কিন ফেডারেল ছুটি বলতে কী বোঝায়?

A: ফেডারেল ছুটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষিত সরকারি ছুটি, যা ফেডারেল কর্মীদের জন্য বেতনসহ বন্ধের দিন। ২০২৬ সালে এমন ছুটি ১১টি, নববর্ষ থেকে বড়দিন পর্যন্ত। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগুলো মানতে বাধ্য নয়, তাই ব্যাংক, দোকান বা অফিস খোলা থাকবে কি না তা নিজের নিয়োগকর্তার নীতি দেখে নিশ্চিত হোন।

Q: ২০২৬ সালে জুনটিন্থ কোন দিনে পড়েছে?

A: জুনটিন্থ ২০২৬ সালে ১৯ জুন শুক্রবার পড়েছে এবং এটি ফেডারেল ছুটি। কিছু জনপ্রিয় তালিকায় এটি বাদ পড়ে, ফলে সংখ্যা ১০ বলে মনে হয়, অথচ সঠিক সংখ্যা ১১। শুক্রবার হওয়ায় ১৯ থেকে ২১ জুন তিনদিনের সপ্তাহান্ত মেলে, যা গ্রীষ্মের শুরুতে ম্যাচ দেখার ভালো সুযোগ।

Q: ৪ জুলাই শনিবার হলে ছুটি কবে ধরব?

A: ফেডারেল কর্মীদের জন্য ছুটি ৩ জুলাই শুক্রবার। নিয়ম হলো, ছুটি শনিবারে পড়লে তা আগের শুক্রবারে সরে আসে এবং রবিবারে পড়লে পরের সোমবারে যায়। তবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তাই পরিকল্পনা পাকা করার আগে নিজের অফিসের ক্যালেন্ডার একবার দেখে নিন।

Q: কীভাবে সবচেয়ে কম ছুটি নিয়ে লম্বা বিরতি পাব?

A: বৃহস্পতিবারের ছুটির পরের শুক্রবারটি নিন, অর্থাৎ ২৬ নভেম্বর থ্যাংকসগিভিং আর ১ জানুয়ারির নববর্ষে। এতে একদিনের ছুটিতে টানা চারদিন মেলে। এর সঙ্গে সোমবারের ছুটিগুলোর আগের শুক্রবার বা পরের মঙ্গলবার জুড়লে চার দিনের বিরতি আরও কয়েকবার বানানো সম্ভব, তবে ওই দিন অফিসে বড় কাজ আছে কি না আগে ভেবে নিন।

Q: ঢাকার সময় আর মার্কিন পূর্ব উপকূলের সময়ের পার্থক্য কত?

A: ২০২৬-এর ১ নভেম্বরের আগে পার্থক্য ১০ ঘণ্টা, তারপর ১১ ঘণ্টা। বাংলাদেশ সারা বছর ইউটিসি+৬-এ থাকে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র গ্রীষ্মে ইউটিসি−৪ ও শীতে ইউটিসি−৫ ব্যবহার করে। তাই ঢাকায় সন্ধ্যা ৭টার ম্যাচ নিউইয়র্কে সকাল ৯টা বা ৮টা, আর এই হিসাব করেই ছুটির সকালে কোন ম্যাচ দেখবেন তা ঠিক করুন।

Q: ছুটির দিনে ক্রিকেট দেখার পরিকল্পনায় সবচেয়ে সাধারণ ভুল কী?

A: সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো ডে-লাইট সেভিংয়ের তারিখ না মেলানো। ১ নভেম্বরের পর সময়ের ব্যবধান এক ঘণ্টা বাড়ে, ফলে আগে যে ম্যাচ সকাল ৯টায় ধরা যেত, তা হঠাৎ ৮টায় শুরু হয়। দ্বিতীয় ভুল, নিজের কর্মস্থলের ছুটির নীতি না দেখা। সূচি, সময় ও খরচের সীমা আগে থেকে লিখে রাখলে এই সমস্যাগুলো এড়ানো যায়।

বছরটা ছোট নয়, আবার সুযোগও অফুরন্ত নয়। তাই ছুটির তারিখ, সময়ের হিসাব আর নিজের সীমা তিনটি একসঙ্গে মিলিয়ে নিলে ২০২৬ সালের ক্রিকেট-দেখা সত্যিই উপভোগ্য হবে। যেকোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে ক্রিকেট গাইড-এ জানাতে দ্বিধা করবেন না (আপনার মতামত আমাদের কাছে খুবই মূল্যবান)।

আরও জানুন

§

এই ঘটনাবলী অন্বেষণ করার জন্য ধন্যবাদ।

❦

ক্রিকেট গাইড · The Archive

সম্পর্কিত নিবন্ধ